Skip to playerSkip to main content
  • 9 years ago
নানা কারণেই আলোচিত-সমালোচিত বিদায়ী বছর ২০১৬। বেশ কয়েকটি হত্যাকাণ্ডসহ নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনাই এর কারন। এক হিসেবে ২০১৫-১৬ সালে নারীর প্রতি সহিংসতা ৫ শতাংশ বেড়েছে। এসব নির্মমতার কোনো উত্তর খুঁজে পায়নি সাধারণ মানুষ।

বছর শুরু হয় কুমিল্লার কলেজছাত্রী তনু হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়ে। ২০ মার্চ কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকায় খুন হন সোহাগী জাহান তনু।

৬ এপ্রিল, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র নাজিমউদ্দিন সামাদকে গলা কেটে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। বিভিন্ন সময়ে মতামত তুলে ধরে ফেসবুকে সক্রিয় থাকতেন তিনি।

২৩ এপ্রিল, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এ এফ এম রেজাউল করিম সিদ্দিকীকে কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।

পার্সেল দেয়ার কথা বলে গত ২৫ এপ্রিল রাজধানীর কলাবাগানে সমকামীদের অধিকার প্রতিষ্ঠার সাময়িকী ‘রূপবান’এর সম্পদাক জুলহাস মান্নান ও তার বন্ধু তনয়কে বাসায় ঢুকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।

বছরের সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা এসপি বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা আক্তার মিতু হত্যাকাণ্ড। ৫ জুন চট্টগ্রাম নগরের জিইসি এলাকায় সন্তানকে স্কুলবাসে তুলে দেয়ার সময় খুন হন তিনি।

২৪ আগস্ট রাজধানীর কাকরাইলে ফুটওভার ব্রিজের ওপরে উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুলের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী সুরাইয়া আক্তার রিশাকে কুপিয়ে হত্যা করে বখাটে ওবায়দুর রহমান।

৪ অক্টোবর, সিলেট সরকারী মহিলা কলেজের ছাত্রী খাদিজা বেগম নার্গিসকে কুপিয়ে রক্তাক্ত করে বখাটে বদরুল আলম।

একই মাসে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদীখানে নিজ বাড়িতে হামলার শিকার হন স্কুলছাত্রী তাহমিনা।

১৬ অক্টোবর ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে মেয়েকে উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় বখাটেদের হামলায় দুই পা হারান বাবা।

সবশেষ ঘটনাটি ঘটে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে। ৫ ডিসেম্বর উপজেলার কলাপাড়া থেকে নাটোরের ৩ যুবলীগ কর্মীর লাশ উদ্ধার করা হয়।

Category

🗞
News
Comments

Recommended