জিকা ভাইরাস প্রতিরোধে দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন ও কাস্টমস ভবনে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে গত এক মাস ধরে বিদেশি নাগরিকদের শারীরিক পরীক্ষা শেষে তাদের বাংলাদেশে প্রবেশের অনুমতি দেয়া হচ্ছে। এখন পর্যন্ত এ ভাইরাসে আক্রান্ত কাউকে পাওয়া যায়নি।
এডিস মশা থেকে ছড়ানো জিকা ভাইরাস বড় উদ্বেগের কারণ মা ও নবজাতকদের জন্য। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা’র প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৯টি দেশে জিকা ভাইরাসের সংক্রমন আশংকাজনক অবস্থায় পৌঁছেছে। সে কারণে বিশ্বজুড়ে জারি করা হয়েছে সতর্কতা। জিকা ভাইরাসের ঝুঁকিতে রয়েছে ভারতের পশ্চিমাঞ্চলও।
ভারত থেকে প্রতিদিন বিভিন্ন দেশের প্রায় চারশ’ মানুষ বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে বাংলাদেশে আসেন। তাদের কেউ এ ভাইরাস আক্রান্ত হলে, তার মাধ্যমে এ দেশে ছড়িয়ে পড়তে পারে। এ আশঙ্কা থেকে সতর্কতা অবলম্বন করেছে বন্দরের স্বাস্থ্য বিভাগ।
বিদেশিরা ইমিগ্রেশনে আসার পরপরই তাদের পরীক্ষার জন্য স্বাস্থ্যকর্মীদের কাছে পাঠানো হচ্ছে।
এর আগে ইবোলা ও সোয়াইন ফ্লু ভাইরাস প্রতিরোধে কাজ করেছে ইমিগ্রেশন স্বাস্থ্য কেন্দ্র।
প্রতিবছর বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে যাতায়াতকারীর ৩০ শতাংশই বেনাপোল বন্দর ইমিগ্রেশন চেকপোষ্ট ব্যবহার করে।
Be the first to comment