কোরবানির পশুর হাটের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে কামারপাড়ার ব্যস্ততা। পশু জবাই থেকে শুরু করে মাংশ কাটার সামগ্রী যোগান দিতে দিন-রাত এক করে কাজ করছেন নেত্রকোনা ও নারায়ণগঞ্জের কামাররা। মূল্য বেশি নেয়ার অভিযোগ তুলেছেন ক্রেতারা। আর কারিগররা বলছেন, কাঁচামালের মূল্য বেড়ে যাওয়ায় প্রতিকূল পরিস্থিতির সম্মুখিন হচ্ছেন তারা।
খুব কাছেই জ্বলছে আগুনের লেলিহান শিখা। উত্তাপের মধ্যে চলে শারিরিক শ্রম। লোহা পিটিয়ে তৈরি হচ্ছে দা, বটি, ছুরি, চাপাতিসহ নানা সরঞ্জাম। নেত্রকোনার সাতপাই ও আমতলা গ্রামের কামারপাড়ার চিত্র এটি।
বছরের অন্য সময়ের তুলনায় কোরবানির সময়টাতে কাজের চাপ বেড়ে যাওয়ায় দম ফেলার যেন ফুসরৎ নেই।
কামারদের দাবি, উপকরণ কিনতে যে খরচ হয়, উৎপাদিত পণ্য বিক্রি করে তেমন লাভ হয়না বলে প্রতিকূল পরিস্থিতির সম্মুখিন হচ্ছে তারা।
বংশপরম্পরায় নারায়ণগঞ্জের প্রায় ৩'শ কামার এ কাজের সঙ্গে জড়িত। ব্যবসার প্রসার ঘটাতে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা ও সহজ শর্তে ঋণ পাওয়ার দাবি কারিগরদের।
লোহা ও কয়লার দাম বাড়ার কারণে দা, বটি, চাপাতিসহ অন্যান্য সরঞ্জামের দাম বেড়ে যাওয়ায় ক্ষুদ্ধ ক্রেতারা।
আধুনিকতার ছোঁয়ায় এসব পণ্য তৈরি কিছুটা প্রযুক্তি নির্ভর হাওয়ায় কামার সম্প্রদায় আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়ছে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।
Comments