Skip to playerSkip to main content
  • 18 minutes ago
শিলাবৃষ্টি ও ঝড়ে লন্ডভন্ড জলপাইগুড়ি জেলার বিস্তীর্ণ এলাকা। ঝড়বৃষ্টির ফলে বিঘার পর বিঘা ফসল নষ্ট, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রচুর বাড়ি। শুখা মরশুমের প্রথম ঝড়বৃষ্টিতে স্তব্ধ জনজীবন। ঝোড়ো হাওয়া সঙ্গে সঙ্গে বৃষ্টির দাপটে একের পর এক বাড়ি ঘরের চাল উড়ে গিয়েছে ৷ ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরাও। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস ছিল ৷ সেই মতো বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর দাপট দেখিয়েছে প্রকৃতি ৷বিশেষ করে জলপাইগুড়ি জেলার ধূপগুড়ি ও বানারহাট ব্লকের ঝড় ও শিলাবৃষ্টির জেরে বিঘার পর বিঘা ফসল জলের তলায়। ঝড়ের ফলে নষ্ট হয়েছে ভুট্টা গাছ ৷ বৃষ্টির জেরে আলু, সিম, মটরশুঁটি, লঙ্কা চাষের ক্ষতি হয়েছে। শিলাবৃষ্টির কারণে বাড়ির চাল ফুটো হয়ে গিয়েছে। মাটির বাড়িগুলি ভেঙে পড়েছে। মাথার গোঁজার ঠাঁই হারিয়ে বানারহাট ও ধূপগুড়ি ব্লকের বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষ বিধস্ত। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ত্রাণ নিয়ে পৌঁছন ধূপগুড়ির বিধায়ক নির্মল রায়।উত্তর শালবাড়ির বাসিন্দা অশেষ তিওয়ারি জানান, গতকাল রাতে ঝড়ের ফলে বাড়ি ভেঙে পড়েছে । আমাদের ঘরবাড়ি ভেঙে পড়েছে ৷ এখন কী করব বুঝতে পারছি না। কয়েক লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়ে গেল। আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে বৃষ্টিপাতের জন্য উত্তরবঙ্গে দিনের তাপমাত্রা দু থেকে তিন ডিগ্রি কমবে । আকাশ থাকবে আংশিক মেঘলা ৷ আজকেও দু-এক জায়গা ভারী বৃষ্টিরও সম্ভাবনা রয়েছে । এমনটাই পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর হাওয়া অফিস ৷ জলপাইগুড়ি আঞ্চলিক আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানানো হয়েছে, গতকাল জলপাইগুড়িতে সর্বাধিক বৃষ্টিপাত হয়েছে কাঁঠালগুড়ি চা-বাগানে। বৃষ্টিপাতের পরিমাণ 132.4 মিলিমিটার ৷

Category

🗞
News
Transcript
00:00So
Comments

Recommended