উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ ঘিরে নন্দীগ্রামে কারচুপির অভিযোগ তুলে সরব কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান । তাঁর দাবি, নন্দীগ্রামের 1 ও 2 নম্বর ব্লকের প্রায় 300টি বুথে কংগ্রেসের এজেন্টদের বসতে দেওয়া হয়নি । কোথাও ভোটারদের হাত থেকে ভোটের স্লিপ কেড়ে নেওয়া হয়েছে, কোথাও আবার ভয় দেখিয়ে ভোটারদের বুথমুখী হতে বাধা দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ তাঁর ।মিলনের কথায়, "কিছু জায়গায় মানুষ স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে ভোট দিতে পেরেছেন । আবার কিছু জায়গায় ভোট লুট হয়েছে । যেখানে মানুষ ভয় না পেয়ে ভোট দিতে পেরেছেন, সেখানে আমার ফল ভালো হবে ।"বিজেপিকে নিশানা করে কংগ্রেস প্রার্থীর আরও দাবি, চার মাসের সরকারের প্রতি মানুষের মোহভঙ্গ হয়েছে । নন্দীগ্রামে বিজেপির 'পায়ের তলার মাটি' সরে গিয়েছে বলেই ভোটের দিন তাদের মধ্যে এত ভয় দেখা যাচ্ছে বলে কটাক্ষ করেন তিনি । গড়চক্রবেড়িয়ায় এক ব্যক্তির দোকানে হামলার অভিযোগও তোলেন মিলন । তাঁর প্রশ্ন, "পুলিশ কি বিজেপির এজেন্ট ? ভোটারদেরই বা কেন চমকানো হচ্ছে ?"নিজের গ্রেফতারির প্রসঙ্গ টেনেও আক্রমণ শানিয়েছেন কংগ্রেস প্রার্থী । তাঁর দাবি, মানুষের মধ্যে ভয়ভীতি তৈরি করতেই ভোটের আগে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল । মিলনের কথায়, "নন্দীগ্রামে লুটের সংস্কৃতি ছিল না । গত দু’বছর ধরে সেটাই হচ্ছে ৷" তবে কংগ্রেস প্রার্থীর এই অভিযোগগুলি অস্বীকার করেছে বিজেপি । বিজেপির বক্তব্য, বিরোধীরা নিজেদের সাংগঠনিক দুর্বলতা ঢাকতেই ভোট নিয়ে প্রশ্ন তুলছে । ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণ হয়েছে বলেও শাসক দলের তরফে দাবি করা হয়েছে ।