Khairathabad Ganesh Puja 2026: 'পঞ্চমুখ সঙ্কটহর মহা গণপতি' রূপে আবির্ভূত হয়েছেন তেলাঙ্গানার গণেশ ৷ প্রতি বছরই গণেশ চতুর্থী দেশজুড়ে ধুমধাম করে পালন করা হয়। আর এবারও কোথাও হচ্ছে বিশালাকার থিম পুজো, আবার কোথাও সাদা-মাটাভাবে হলেও ভক্তিভরেই চলছে গণেশ বন্দনা। তবে হায়দরাবাদের খয়রাতাবাদ বিনায়কের আরাধনায় রয়েছে এক ইতিহাস ৷ 1954 সালে খয়রাতাবাদ প্রথমবারের মতো, সিঙ্গারি শঙ্করিয়া নামে একজন স্বাধীনতা সংগ্রামী ও তৎকালীন কাউন্সিলর স্থানীয় গ্রন্থাগারে এক ফুটের একটি মূর্তি দিয়ে গণেশ পুজো শুরু করেন। 9 বছর ধরে সেই ঘরেই এটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল ৷ প্রতি বছর গণপতির উচ্চতা এক ফুট করে বাড়তে বাড়তে 9 ফুটে পৌঁছয়। পরের বার 10 ফুটের মূর্তিটি ঘরে রাখা সম্ভব না-হওয়ায়, এটিকে গ্রন্থাগারের সামনের ছাদে স্থাপন করা হয়। এভাবেই প্রতিবার উচ্চতা বাড়তে বাড়তে বর্তমানে তা দাঁড়িয়েছে 69 ফুটে ৷ খয়রাতাবাদ গণেশ উৎসব কমিটি জানিয়েছে, গত বছর গণেশ প্রতিমা তৈরিতে 1.05 কোটি টাকা খরচ হয়েছিল এবং এবছর দাম বাড়ার কারণে তা 1.20 কোটি টাকায় পৌঁছেছে ৷ পুজো মণ্ডপের সামনে রয়েছে বিশাল ব্যারিকেড ৷ তেলাঙ্গানার সরকারের তরফে বিসর্জনের জন্য ক্রেনের ব্যবস্থা করছে। আজ থেকে গণেশের আরাধনা চলবে অনন্ত চতুর্দশী পর্যন্ত ৷ আগামী 25 সেপ্টেম্বর গণেশের প্রতিমা নিরঞ্জনের উদ্দেশে নিয়ে যাওয়া হবে ৷ প্রতিদিন এক লক্ষ লোক ভক্তের সমাগম হয় এখানে ৷ এখানে ভিভিআইপি দর্শনেরও ব্যবস্থা রয়েছে। পুলিশের তরফে কড়া নিরাপত্তা নেওয়া হয়েছে ৷ তবে এবছর তেলাঙ্গানার সবচেয়ে বড় মাটির গণপতি তৈরি হয়েছে নাগোলে ৷ তিরঙ্গা ইয়ুথ অ্যাসোসিয়েশনের তত্ত্বাবধানে এই পরিবেশবান্ধব গণেশ তৈরি করা হয়েছে। লাঠি, ঘাস, ধানের খোসা, পাট, কলকাতার মাটি, তুলো এবং গঙ্গার মাটি দিয়ে তৈরি এই গণপতিটিকে চমৎকার জলরঙে রাঙানো হয়েছে। আয়োজকরা জানিয়েছেন, আগামী 26 তারিখে মণ্ডপেই প্রতিমার বিসর্জন দেওয়া হবে।
Comments